সৈকতের অবৈধ হোটেল গুঁড়িয়ে দিতে আদালতের নির্দেশ

সৈকতের অবৈধ হোটেল গুঁড়িয়ে দিতে আদালতের নির্দেশ

বিশ্বের সবচেয়ে বড় সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার। যার সৌন্দর্যে মুগ্ধ দেশি-বিদেশি পর্যটক। এই সমুদ্র সৈকতের জিলেনজা অংশে গড়ে উঠেছে প্রায় ২০টির মতো থ্রি স্টার ও ফাইভ স্টার মানের হোটেল। রয়েছে অসংখ্য ছোট-বড় হোটেল আর মোটেল।

১৯৯৯ সালে কক্সবাজারের লাবনী পয়েন্ট থেকে কলাতলী পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকাকে পরিবেশগত সঙ্কটাপন্ন হিসেবে ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে সরকার। কিন্তু সেই গেজেটকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ওই এলাকায় গড়ে তোলা হয়েছে একের পর এক অবৈধ স্থাপনা।

এ নিয়ে মোট পাঁচটি রিটের চূড়ান্ত রিভিউয়ের রায়ে ১৯৯৯ সালের পর দেওয়া হোটেল সাইমন, সি-গালসহ বড় বড় বেশ কিছু হোটেলের লিজ বাতিল করেছেন আপিল বিভাগ। পাশাপাশি রায়ে গুঁড়িয়ে দিতে বলা হয়েছে এসব অবৈধ স্থাপনা। সেই সঙ্গে নতুন করে কাউকে সমুদ্রের তীরে লিজ না দিতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের আপিল বেঞ্চ।

বিষয়টিতে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলছেন, এই রায় একটি মাইলফলক, অবশ্যই তা বাস্তবায়ন করা হবে।

তবে রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে হোটেল মালিকদের আইনজীবী ব্যারিস্টার ইমরানুল কবীর বলছেন, ‘এতে পর্যটক কমে যাবে কক্সবাজারে। ক্ষতিগ্রস্ত হবে কক্সবাজারের পর্যটন।’

এ দিকে, রায় মানা না হলে সরকার ও আদালত অবমাননার মামলা করা হবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *