শেখ হাসিনা ফিরে না এলে ইতিহাসের স্বপ্নভঙ্গ হতোঃ মন্ত্রী রেজাউল করিম

শেখ হাসিনা ফিরে না এলে ইতিহাসের স্বপ্নভঙ্গ হতোঃ মন্ত্রী রেজাউল করিম

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, সমকালীন বিশ্বে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক ও ক্ষমতায় থাকার আমল একটা স্বর্ণালী অধ্যায়। এ অধ্যায় কেউ কোনো দিন স্পর্শ করতে পারবে না। তিনি শাসক হিসেবে আদর্শ, রাজনীতিক হিসেবে আদর্শ। আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পরিচয় অতিক্রম করে তিনি অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে গেছেন।

বৃহস্পতিবার (০১ অক্টোবর) রাজধানীর ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৪তম জন্মদিন উপলক্ষে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী।

রেজাউল করিম বলেন, শেখ হাসিনা ফিরে না এলে ইতিহাসের স্বপ্নভঙ্গ হতো। কারণ শেখ হাসিনা ফিরে আসার পর ইতিহাস পরিচ্ছন্নভাবে বিকশিত হওয়া শুরু করেছে। দেশে ফিরে দেশবাসীর উদ্দেশে শেখ হাসিনা বলেছিলেন, আমি ফিরে এসেছি বাংলাদেশের সকল মানুষের আকাঙ্ক্ষাকে পরিপূর্ণ করার জন্য। আমার ব্যক্তিগত কিছু চাওয়া-পাওয়ার নেই।

তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’র বাংলাদেশকে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসায় উন্নত বাংলাদেশে পরিণত করেছেন। পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হওয়া রাষ্ট্রকে তিনি উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত করেছেন। এজন্য তাকে বলা হয় ‘উন্নয়নের ম্যাজিশিয়ান’।

শ ম রেজাউল করিম বলেন, শেখ হাসিনাকে আজ বলা হয় বিশ্বের সেরা সৎ ও পরিশ্রমী প্রধানমন্ত্রী। তিনি সেই নেতা, যার কারণে করোনার সময়ে দেশে একজন মানুষও না খেয়ে মারা যায়নি। সংকট মোকাবিলায় বিশ্বের মধ্যে শেখ হাসিনা সেরা ব্যবস্থাপক। ৬৭ বছরের ছিটমহল সমস্যা সমাধান করে, সমুদ্রসীমায় বাংলাদেশের আয়তনের প্রায় সমপরিমাণ জায়গায় অধিকার প্রতিষ্ঠা করে শেখ হাসিনা পরিণত হয়েছেন সেরা কূটনীতিকে। তিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ৪০টির অধিক সম্মাননা পেয়েছেন।

আলোচনা সভার শুরুতে শেখ হাসিনার জীবন ও কর্ম নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয় এবং শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের মঙ্গল কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান কাজী হাসান আহমেদ। আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের মহাপরিচালক ডা. আবদুল জব্বার শিকদার, মৎস্য অধিদফতরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজ, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. নাথু রাম সরকার ও মেরিন ফিশারিজ একাডেমির অধ্যক্ষ ক্যাপ্টেন এম এইচ আহমেদ আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *