যে নম্বরে ফোন করলেই পাওয়া যাবে ত্রাণ

যে নম্বরে ফোন করলেই পাওয়া যাবে ত্রাণ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সঙ্গে আলোচনা করে একটি ব্যবস্থা দাঁড় করাতে যাচ্ছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। এই বাস্তবায়ন হলে সাধারণ মানুষ ৩৩৩ নম্বরে ফোন করেই ত্রাণ নিতে পারবেন।

রোববার (১৯ এপ্রিল) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান বিষয়টি জানান।

তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন। এখন ৩৩৩ নম্বরে যেমন স্বাস্থ্য বিষয়ক বা করোনা বিষয়ক তথ্য পাওয়া যাচ্ছে, সেভাবে এই নম্বরটি আমাদের সঙ্গে কানেক্টেড হবে। আমাদের সঙ্গে সংযুক্ত করার মূল উদ্দেশ্য হলো- কেউ যদি ত্রাণ না পায়, সে আমাদের জানাবে, আমরা তার খাদ্যের ব্যবস্থা করব।’

তিনি বলেন, ‘গতকাল প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন আজকে আমরা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে মিটিংয়ে বসব। সেই মিটিংয়ে আইসিটির এক্সপার্ট ও আমাদের এক্সপার্টরা থাকবেন। তাদের গাইডলাইন দেয়া হবে যত দ্রুত সম্ভব এটা চালু হবে।’

‘কাজ শেষ হলে আমরা বিজ্ঞাপন দেব, যারা খাদ্য কষ্টে আছেন যাদের খাদ্য সহায়তা প্রয়োজন তারা ৩৩৩ নম্বরে যোগাযোগ করুন। যে কোনো জায়গা থেকে যে কেউ ফোন করতে পারবেন।’

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা তো ত্রাণ দিচ্ছি, এরপরও মাঝে মাঝে অভিযোগ আসছে অনেকে তা পাননি। যিনি ত্রাণ পাননি তিনি কোথায় যোগাযোগ করবে না করবে। এজন্য আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব দিয়েছিলাম- একটা হটলাইন নম্বর করি। তিনি বললেন, ৩৩৩ তো একটি স্ট্যাবলিস্ট নম্বর, এটার সঙ্গে কানেক্টেড হয়ে গেলেই তো আর আলাদা নম্বর লাগে না। প্রধানমন্ত্রী সংসদেও গতকাল এ বিষয়ে বলেছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘যদি কেউ ৩৩৩ নম্বরে ফোন করে আমাদের বলে যে সে ত্রাণ পাননি- তবে বিভাগ, জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড কমিটি আছে, যার কাছাকাছি থাকবে তারা যাচাই করে তাকে ত্রাণ দেবে।’

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে দেশে গত ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি চলছে। ছুটির কারণে অনেকেই কর্মহীন হয়েছেন। কর্মহীন ও দুস্থ মানুষকে মানবিক সহায়তা হিসেবে ত্রাণ দিচ্ছে সরকার। ইতিমধ্যে সাত দফায় ৬৪ জেলার দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সহায়তার জন্য সরকার ৪৭ কোটি ৩৫ লাখ ৭২ হাজার ২৬৪ টাকা এবং ৯৪ হাজার ৬৬৭ টন চাল বরাদ্দ দিয়েছে ত্রাণ মন্ত্রণালয়।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *