‘ভাসানচরে বিলাসবহুল হোটেল নেই বলে রোহিঙ্গা স্থানান্তরে বিরোধিতা এনজিওগুলোর’

'ভাসানচরে বিলাসবহুল হোটেল নেই বলে রোহিঙ্গা স্থানান্তরে বিরোধিতা এনজিওগুলোর'

রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তর প্রক্রিয়া চলছে আর এর বিরোধিতা করছে দাতা সংস্থাগুলো। এই বিরোধিতার বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে পরারাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেন, তাদের বিরোধিতা করার একটি কারণ হলো ভাসানচরে কোনো বিলাসবহুল হোটেল সুবিধা নেই।

আজ শুক্রবার রাজধানীতে নিজের বাসবভনে থেকে মন্ত্রী রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তরের ব্যাপারে বলেন , রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে নিলে মাছ ধরা, কৃষিকাজ করা এবং গরু, ছাগল, ভেড়া ও হাঁস-মুরগি লালন-পালনের মতো অর্থনৈতিক কাজ করতে পারবে।

কিন্তু দাতা সংস্থাগুলো স্থানান্তরের বিষয়ে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে। সঠিক কারণ বুঝতে পারছেন না জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘একটা সমস্যা আছে, তা হলো যাওয়া-আসায় সমস্যা। সেখানে যেতে এখন সমুদ্রপথে ঘণ্টাখানেক সময় লাগবে। আমরা বোট সার্ভিস চালু করব। তাদের তো কোনো আর্থিক সমস্যা নেই। চাইলে তারাও তো এ সার্ভিস চালু করতে পারেন। তারা এ সার্ভিস চালু করছেন না কেন?’

দাতা সংস্থাগুলোর কর্মকর্তাদের ইঙ্গিত করে মন্ত্রী বলেন, ‘কুতুপালংয়ে থাকলে মাত্র ১৫ কিলোমিটার দূরে কক্সবাজারের নামিদামি হোটলে তারা থাকতে পারেন। দায়িত্ব পালন শেষে সেখান থেকে বিকেল ৩টায় কক্সবাজারে চলে এসে বাকি সময় তারা আড্ডা এবং ঘুমিয়ে কাটাতে পারেন।’

ভাসানচরের বিষয়ে মন্ত্রী আরো বলেন, ‘তাদের আরেকটা অভিযোগ, খাবার-দাবার দিতে গেলে জাহাজে করে নিতে হবে। এতে তাদের খরচ বেশি হবে। তবে, আমি বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফও) প্রধানের সাথে কথা বলেছি, তিনি বলেছেন খরচটা তত বেশি না।’

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *