ভবিষ্যত পরিকল্পনা করে দিয়েছি, তা ধরেই দেশ এগিয়ে যাবে: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

ভবিষ্যত পরিকল্পনা করে দিয়েছি, তা ধরেই দেশ এগিয়ে যাবে: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রজন্মের পর প্রজন্ম দেশের মানুষের জীবনযাপনে আওয়ামী লীগ যে পরিকল্পনা করে দিয়েছে, সেটা ধরেই দেশ এগিয়ে যাবে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে। জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী আমরা উদযাপন করবো, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীও আমরা উদযাপন করবো।

শনিবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় দলটির সভাপতি আরও বলেন: বাংলাদেশ এখন সারা বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। এখন বাংলাদেশ উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে, ইনশাল্লাহ্ এগিয়ে যাবে। জাতির পিতা সারাজীবন ত্যাগ স্বীকার করে বাংলাদেশ স্বাধীন করে দিয়ে গেছেন। তারই ডাকে সাড়া দিয়ে লাখো শহীদ রক্ত দিয়েছে। কাজেই এ রক্ত কখনও বৃথা যায় না, বৃথা যেতে পারে না।

তিনি সবাইকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন: বাংলাদেশের মাটিতে মীর জাফর-মোশতাকের মতো বেঈমানদের জন্ম হয়েছে বারবার। খুনি জিয়ার মতো খুনিরাও বার বার এসেছে। কিন্তু ভবিষ্যতে এদের মতো এদশের মানুষের জনগণের ভাগ্য নিয়ে আর কেউ যেনো ছিনিমিনি খেলতে না পারে; সে দায়িত্ব এদেশের জনগণকে নিতে হবে, তরুণ প্রজন্মকে নিতে হবে; প্রজন্মের পর প্রজন্ম এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

‘‘যে স্বাধীন বাংলাদেশ জাতির পিতা দিয়ে গেছেন, সে বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে সমুন্নত রাখতে হবে। বাংলাদেশ যেভাবে রাজনৈতিক-অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, সেভাবে যেন এগিয়ে যেতে পারে। বিশ্ব সভায় মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে। তাহলেই এই শহীদের যে আত্মত্যাগ তা স্বার্থক হবে।’’

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেখানো পথে আওয়ামী লীগ এগিয়ে চলছে দাবি করে এ সময় বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন: আর জাতির পিতার যে স্বপ্ন ছিলো দুঃখি মানুষের মুখে হাসি ফোটানো এই বাংলাদেশকে আমরা সেভাবেই এগিয়ে নিতে চাই। সে লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করে যাচ্ছি, আমাদের লক্ষ্যই হচ্ছে দুঃখি মানুষের মুখে হাসি ফোটানো। আমাদের প্রতিটি কাজ আপনারা লক্ষ্য করবেন, আমাদের তৃণমূল মানুষের ভাগ্য আমরা কিভাবে পরিবর্তন করবো; সেভাবেই সাজানো আমাদের পরিকল্পনা।

তিনি আরও বলেন: এভাবে আমরা তাদের সহযোগিতা করে যাচ্ছি। এদেশকে যেন আর কোনো দিন কারও কাছে হাত পেতে না হয়। মানুষকে খাদ্যের জন্য কষ্ট না পেতে হয়, জাতির পিতা আমােদের যে সংবিধান দিয়ে গেছেন সে সংবিধানে যে মৌলিক অধিকারগুলোর কথা বলা হয়েছে সেগুলো সমুন্নত থাকে; আমরা সেভাবেই কাজ করে যাচ্ছি।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *