বৃক্ষরোপণ সামাজিক আন্দোলনে পরিণত হয়েছে

বৃক্ষরোপণ সামাজিক আন্দোলনে পরিণত হয়েছে

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, নগরের পরিবেশকে নির্মল রাখতে নগর বনায়ন প্রয়োজন। বর্তমানে বৃক্ষরোপণ একটি সামাজিক আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। মানুষ এখন হাট-বাজারে গিয়ে সাধারণ পণ্য কেনার পাশাপাশি ২-৩টি গাছের চারা কিনে নিয়ে আসে।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় সংসদ ভবন চত্বরে বৃক্ষরোপণ শেষে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এ সময় সমাজ কল্যাণমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ, সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. হাফেজ রুহুল আমীন মাদানী, আবদুল মমিন মন্ডল, গাজী মোহাম্মদ শাহনওয়াজ এমপি এবং লুৎফুন নেসা খান উপস্থিত ছিলেন।

বৃক্ষরোপণ শেষে তথ্যমন্ত্রী বলেন, একটি করে বনজ, ফলজ ও ঔষধি গাছ লাগানোর যে স্লোগান সেটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া স্লোগান। সামাজিক বনায়নের ফলে বৃক্ষাচ্ছাদিত অঞ্চলের পরিমাণ গত ১১ বছরে অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। একটি গাছ মানুষকে বহুমাত্রিক সুবিধা দেয়। বৃক্ষ মানুষকে অক্সিজেন দেয়, ফল দেয়, পরিবেশকে নির্মল রাখে।

তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই বৃক্ষরোপণের ওপর গুরুত্বারোপ করে আসছেন। তিনি ১৯৮৩ সাল থেকে বাংলাদেশ কৃষক লীগের মাধ্যমে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি চালু করেন। এরপর ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমকে আরও বেশি ত্বরান্বিত করতে সরকারিভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *