বিআরটিসিকে অনিয়মের ধারা থেকে বেরোতে হবে : কাদের

বিআরটিসিকে অনিয়মের ধারা থেকে বেরোতে হবে : কাদের

রাষ্ট্রায়ত্ত পরিবহন সংস্থা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন-বিআরটিসিকে অনিয়মের ধারা থেকে বেরিয়ে আনতে কর্মকর্তাদের তাগাদা দিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শনিবার (২৫ জুলাই) বিআরটিসির ইদ সেবা উপলক্ষে গৃহীত পদক্ষেপ ও দিকনির্দেশনা প্রসঙ্গে ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় নিজের সরকারি বাসভবন থেকে যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বিআরটিসি যাত্রী ও পণ্য পরিবহন সেবায় নিয়োজিত। গাড়ির চাকা সচল থাকলে সংস্থাটির আয় হয়। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হওয়ার আগে পুঞ্জিভূত লোকসান বা দায়-দেনা কমিয়ে আনার ধারায় ছিল। কিন্তু করোনাভাইরাসের সময় গাড়ি বন্ধ থাকায় আয়ের ক্ষেত্রে আবারও ছন্দ পতন ঘটে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, আমি বার বার বলি, বিআরটিসিকে অনিয়মের ধারা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। লাভের ধারায় ফিরিয়ে আনতে হবে। আর এ কাজটি অন্য কেউ করে দেবে না। এটি বিআরটিসির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সততা, নিষ্ঠা, দেশপ্রেম নিয়ে করতে হবে। এই সংস্থার প্রতি গণমানুষের যে আস্থা তা ধরে রাখতে হবে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বলে বছরের পর বছর সরকার টাকা দেবে তা নয়। নিজেদের আর্থিক মেরুদণ্ড শক্ত করতে হবে।

কর্মকর্তাদের অনিয়মের ‘সিন্ডিকেট ভাঙ্গার’ নির্দেশ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, বছরে অর্ধ সহস্রাধিক বাস এবং অর্ধ সহস্রাধিক ট্রাক যোগ করার পরেও কেন লোকসান থাকে? মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিআরটিসিকে সমৃদ্ধ করেছেন। আপনারা অনিয়মের সিন্ডিকেট বন্ধ করে দিন। আর লঘু অপরাধে শ্রমিকদের গুরুদণ্ড দেবেন না। অপরাধের মাত্রা বিবেচনা করে শাস্তি দিন। নিম্ন বেতনভুক্তদের শাস্তি দিয়ে বড় অপরাধ আড়ালের কৌশল নেবেন না।

বিআরটিসির ’বেশিরভাগ’ অনিয়মে কর্মকর্তাদের দায়ী করে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিআরটিসির সমস্যা শ্রমিক-কর্মচারী নয়, ডিপোকেন্দ্রিক, যে অনিয়ম শক্তভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।সদর দফতরেও  কিছু সমস্যা আছে, সেটা আমার জানা আছে। বিআরটিসির পরিবহন মেরামত, ক্রয়, ভূমি ইজারা প্রদান, ইজারা আদায়, দৈনিক ট্রিপ ব্যবস্থাপনা, পণ্য সেবা থেকে আদায়, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বাস ভাড়া প্রদান, বাস লিজ প্রদানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনিয়মের ভূতের আছর আছে বলে আমার কাছে অভিযোগ আছে।

আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন,  দুর্যোগ ও সংকটে সাহসী নেতৃত্ব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিটি বিষয়ে নিবিড়ভাবে মনিটর করছেন। শেখ হাসিনার হাত ধরেই দেশে স্থাপিত হয়েছে হাজার হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক। চিকিৎসাসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে বিভিন্ন জেলায় মেডিকেল কলেজ এবং বিভাগীয় পর্যায়ে স্থাপন করা হচ্ছে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *