বাংলাদেশ ও ভূটান সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র খুঁজে বের করতে পারে : রাষ্ট্রপতি

বাংলাদেশ ও ভূটান সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র খুঁজে বের করতে পারে : রাষ্ট্রপতি

বাংলাদেশ এবং ভূটান দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইটি), কৃষি, হর্টিকালচার, ট্যুরিজম এবং মৎসসহ আরও নতুন নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র খুঁজে বের করতে পারে।
বাংলাদেশ সফররত ভূটানের প্রধানমন্ত্রী ডা. লোটে শেরিং আজ বিকেলে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি সফররত বিদেশী অতিথিদের বলেন, দু’দেশের মধ্যে ব্যবসা- বাণিজ্য, কানেকটিভিটি, শিক্ষা, সাংস্কৃতিক বিনিময়, জনগণের পর্যায়ে যোগাযেগ এবং পর্যটনের ক্ষেত্রে চমৎকার সহযোগিতা বিরাজ করছে। তিনি বলেন, দু’টি দেশই আইসিটি, কৃষি, হর্টিকালচার এবং মৎসসহ আরও নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র খুঁজে বের করতে পারে।
রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। রাষ্ট্রপতি ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে ভূটানের সমর্থনের কথা স্মরণ করে ভূটান সরকার এবং সেদেশের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেন, ভূটান বাংলাদেশের খুবই বিশ্বস্থ বন্ধু। ভূটানের সঙ্গে বাংলাদেশের চমৎকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক রয়েছে এবং এই সর্ম্পক দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বাংলাদেশের দুটি উৎসব বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উৎসবে যোগ দেয়ায় ভূটানের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।
ভূটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং ঐতিহাসিক দুটি উৎসবে যোগ দিতে বাংলাদেশে তিনদিনের সরকারি সফরে গতকাল সকালে ঢাকা আসেন।
রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ভূটানে বিভিন্ন কর্মসূচীর আয়োজন করায় সেদেশের সরকার ও জনগণকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান। দেশটিতে হাজার হাজার প্রদীপ জ্বালিয়ে এবং স্মারক ডাক টিকিট প্রকাশ করে উৎসব পালন করা হয়।
আনুষ্ঠানিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরুর আগে ভূটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদকে একটি স্মরক ডাক টিকিট উপহার দেন।
বাংলাদেশে এই ঐতিহাসিক উৎসবে ডা. শেরিংকে আমন্ত্রন জানানোর জন্য তিনি বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানান।
ভূটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ট নেতৃত্বে বিভিন্ন সেক্টরে বিশেষ করে আর্থ-সামাজিক খাত এবং নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির প্রশংসা করেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সূজন এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় ও বঙ্গভবনের সংশ্লিষ্ট সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *