বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আগামী ৫০ বছর ‘সোনালী অধ্যায়’ অব্যাহত থাকবে : মোদিকে মোমেন

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আগামী ৫০ বছর ‘সোনালী অধ্যায়’ অব্যাহত থাকবে : মোদিকে মোমেন

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন সফররত ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বলেছেন, পরবর্তী ৫০ বছর দু’দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিদ্যমান চমৎকার ‘সোনালী অধ্যায়’ বাংলাদেশ অব্যাহত রাখবে।
সোনার গাওঁ হোটেলে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমি তাকে (মোদি) বলেছি যে আমরা (বাংলাদেশ) পরবর্তী ৫০ বছর এ অঞ্চলের সকল জনগণের কল্যাণ আশা করি।’
মোমেন বলেন, তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী পালন এবং বাংলাদেশ-ভারত কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তিসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
এলডিসি থেকে বেরিয়ে এসে উন্নয়নশীল দেশের নামের তালিকায় বাংলাদেশের অন্তর্ভূক্তি, কোভিড-১৯ সহযোগিতা এবং সংযোগসহ অন্যান্য বিষয় এ আলোচনায় উঠে আসে।
বঙ্গবন্ধুকে মর্যাদাপূর্ণ ‘মহাত্মা গান্ধী অ্যাওয়ার্ড’ দিয়ে তাঁকে সম্মানিত করায় মোমেন ভারত সরকারকে ধন্যবাদ জানান।
তিনি বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন যে, বাংলাদেশ যথা সময়ের মধ্যে প্রতিশ্রুত তিন কোটি কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন ডোজ পাবে।
ভারত জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের (ইউএনএসসি) সদস্য দেশ হওয়ায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে চলা রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে দেশটির জোরালো সহযোগিতা চান।
মোমেন বলেন, বঙ্গবন্ধুর প্রতি সম্মান প্রদর্শনে এবং স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে অংশ নিতে করোনা মহামারির এই দুর্দিনে বাংলাদেশ সফরে আসায় তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।


মোমেন আরো বলেন, উত্তরে মোদি বলেছেন যে ভারতের জনগণ বিশ্বাস করে বাংলাদেশের বিজয় ভারতেরই বিজয়।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের হাইওয়ে উন্নয়নের অগ্রগতির ক্ষেত্রে এ দেশের প্রতি ভারতের প্রধানমন্ত্রী তার দেশের সহযোগিতার আশ্বাস দেন ।
এ সময় মোমেনের সঙ্গে ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম ও পররাষ্ট্র সচিব মসিুদ বিন মোমেন।
প্রধানত বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী পালন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণে দু’দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে আজ সকালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এখানে পৌঁছানোর পর তাকে জাকজমকপূর্ণভাবে সংবর্ধনা জানানো হয়।
বিমানবন্দরে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *