বর্ষা মওসুমের আগেই এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে আগাম কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

বর্ষা মওসুমের আগেই এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে আগাম কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্ষা মওসুম শুরুর আগেই ডেঙ্গু রোগ সৃষ্টিকারি এডিস মশা নির্মূলে আগাম কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রাজধানীর উত্তর ও দক্ষিণের নব-নির্বাচিত মেয়র এবং কাউন্সিলরদের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন।

তিনি বলেন,‘ডেঙ্গু একটি সমস্যা আকারেই দেখা দিয়েছে। কাজেই এখন থেকেই নব-নির্বাচিত মেয়র এবং কাউন্সিলরদের এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।’

শেখ হাসিনা আজ সকালে তাঁর তেজগাঁওস্থ কার্যালয়ে গ্রহণ অনুষ্ঠানে একথা বলেন।ঢাকার উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের নব-নির্বাচিত মেয়র এবং কাউন্সিলরদের শপথ

তিনি এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে যথাযথ ওষুধের কার্যকর প্রয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ‘মশা আপনার ভোট যেন খেয়ে না ফেলে সেটা নিশ্চয়ই আপনাকে দেখতে হবে। মশা ক্ষুদ্র হলেও অনেক শক্তিশালী । এটা মাথায় রাখতে হবে।’

শেখ হাসিনা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের উদ্দেশ্য বলেন, ‘দেশের সার্বিক উন্নয়ন করতে হলে জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে হবে। যে কোন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির জীবনে সবচেয়ে প্রয়োজন জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করা। কাজেই সেই আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করেই স্ব-স্ব দায়িত্ব আপনারা পালন করবেন,সেটাই আমরা চাই।’

শেখ হাসিনা উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্য জনপ্রতিনিধিদের মনিটরিং জোরদার করার পাশাপাশি সরকারও এটি পর্যবেক্ষণের উদ্যোগ নেবে বলেও জানান।

এর অগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর কার্যালয়ের শাপলা হলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস এবং উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলামকে শপথ বাক্য পাঠ করান।

এছাড়া স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো: তাজুল ইসলাম একই স্থানে দুই সিটি কর্পোরেশনের সাধারণ ওয়ার্ড ও সংরক্ষিত আসনের নির্বাচিত ১৭২ জন কাউন্সিলরকে শপথ বাক্য পাঠ করান।

১ ফেব্রুয়ারি ডিএসসিসি ও ডিএনসিসি’র নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে নগরবাসী ভোটের মাধ্যমে আগামী ৫ বছরের জন্য আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসকে ডিএসসিসি’র এবং আতিকুল ইসলামকে ডিএনসিসি’র মেয়র হিসেবে নির্বাচিত করেছে।

নির্বাচিত দুই মেয়রের পাশাপাশি ডিএসসিসিতে ১শ’ কাউন্সিলরের মধ্যে ৭৫ জন সাধারণ এবং সংরক্ষিত আসন থেকে ২৫ জন মহিলা কাউন্সিলর এবং ডিএনসিসিতে ৭২ জন কাউন্সিলরের মধ্যে ৫৪ জন সাধারণ ও সংরক্ষিত আসন থেকে ১৮ জন মহিলা কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন।

তবে নব-নির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলরদের দায়িত্ব নেয়ার জন্য মে মাসের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। কারণ, বর্তমান মেয়র ও কাউন্সিলরদের মেয়াদ ডিএসসিসিতে ১৭ মে এবং ডিএনসিসিতে ১৩ মে শেষ হবে।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো: তাজুল ইসলাম এবং নব-নিযুক্ত দুই মেয়র এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন,‘দিনরাত পরিশ্রম করে দেশের উন্নয়নের প্রকল্পসমূহ বাস্তবায়ন করি এবং এর জন্য বাজেট দেই। এই উন্নয়ন প্রকল্পগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে কি-না সেটা পর্যবেক্ষনের ব্যবস্থা আমরা নিচ্ছি। সেটা নিবিড ভাবে আমরা পর্যবেক্ষণ করবো।’

শেখ হাসিনা আরো বলেন,‘আপনারা যারা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি রয়েছেন তাঁদের কাছে আমার এই অনুরোধটাই থাকবে-একটা কথা মনে রাখবেন যে, জনগণ আপনাদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন। জনগণের কাছে আপনারা অঙ্গীকারাবদ্ধ।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন,‘ আপনারা যে শপথ নিয়েছেন সেই শপথের কথা মনে রেখে আপনাদের নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে যারা আপনাকে ভোট দিয়েছে এবং যারা দেয় নাই অর্থাৎ এলাকাবাসী, সকলের সুযোগ-সুবিধা আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে।’

বহুদলীয় গণতন্ত্রে জনগণের ইচ্ছে মত ভোটাধিকার প্রয়াগের সুযোগ থাকায় জনগণ তাঁদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিলেও যিনি নির্বাচিত হবেন তিনি সকলের জন্যই নির্বাচিত। এটা মনে রাখতে হবে এবং সার্বিক উন্নয়নের জন্য কাজ করতে হবে। এটাই রাজনীতির নিয়ম,বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রী এ প্রসঙ্গে আরো বলেন, তাঁর সরকার অনেক প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। অনেক প্রকল্প গ্রহণ করেছে। কাজেই সেগুলোর যেন যথাযথ বাস্তবায়ন হয় সেদিকে আপনারা দৃষ্টি দেবেন।

প্রধানমন্ত্রী ভাষণে করোনা ভাইরাস প্রসঙ্গে তাঁর সরকারের সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় থাকার তথ্য জানিয়ে এর সংক্রমন রোধে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপেরও উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন,‘করোনাভাইরাস থেকে বাংলাদেশকে কিভাবে মুক্ত রাখা যায় সেজন্য যথাযথ পদক্ষেপ আমরা নিচ্ছি। ’

তিনি বলেন,‘একটি হাসপাতাল আমরা আলাদাভাবে করে দিচ্ছি এবং সেখানে ডাক্তার,নার্সসহ যারা সেবা দেবে তাঁদের প্রশিক্ষণ দেয়া, পোষাক ঠিক করা এবং তাঁদের সুরক্ষার ব্যবস্থাও করছি। ’
পাশাপাশি সরকারের তরফ থেকে যে নির্দেশনা যাচ্ছে সেসব নির্দেশনাও তিনি সকলকে মেনে চলার আহবান জানান।
এ সময় দুর্ণীতির বিরুদ্ধে শেখ হাসিনা পুণরায় কঠোর হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করেন।
তিনি বলেন,‘আমি চাই যেন কোন ধরণের দুর্ণীতি না হয়। কোনরকম অনিয়ম না হয়।’

তিনি দৃঢতার সঙ্গে বলেন,‘যদিও অনিয়ম-দুর্ণীতি হয়, সে যেই হোক না কেন আমি তাকে ছাড়বো না, কাউকে ছাড়া হবে না।’
শেখ হাসিনা বলেন, তাঁর সরকার একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নির্বাচিত এবং সেই স্বল্পতম সময়ের মধ্যে যেসব কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা সম্পন্ন করতে চান।
তিনি দৃঢ় কন্ঠে বলেন, ‘কেউ যদি প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে বা কোনরকম দুর্ণীতি করে বা নয়ছয় করে, তাহলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির পুণরোল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন,‘জঙ্গিবাদ,সন্ত্রাস,মাদক এবং দুর্ণীতির বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান চলছে এবং তা অব্যাহত থাকবে। সমাজের এই ক্ষতগুলো থেকে জাতিকে মুক্ত করতে হবে। এর প্রভাবে আপনাদেরই সন্তান, ছেলে-পেলে বা বংশধররা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।’

সরকার প্রধান বলেন,‘তরুণ ও যুব সমাজকে এই ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে তাঁদের মেধা,মনন এবং যোগ্যতাকে আমরা দেশের কাজে লাগাতে চাই।’

প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারের একটানা দেশ পরিচালনায় দেশের আথর্-সামাজিক উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে বলেন, ‘আজকে বাংলাদেশের উন্নয়নে সার্বিক গতি এসেছে। বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের উন্নয়ন এখন বিস্ময় এবং আমি বিদেশে গেলে বিভিন্ন সরকার ও রাষ্ট্র্র প্রধানদের একটাই প্রশ্ন থাকে যে, এত দ্রুত উন্নয়নটা কি করে করলেন?’

বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দাভাব চলতে থাকার সময় দেশের শাসন ক্ষমতা গ্রহণ করলেও এর প্রভাব দেশের অর্থনীতিতে তাঁর সরকার পড়তে দেয়নি উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশকে আর আগের মত কারো কাছে হাত পেতে চলতে হয়না। উন্নয়নের গতিধারা অব্যাহত রাখায় ইতোমধ্যে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে আমরা যে স্বীকৃতি পেয়েছি তা বলবৎ থাকবে।’

২০৪১ সাল নাগাদ উন্নত সমৃদ্ধ দেশ গড়ে তোলার জন্য তাঁর সরকার ইতোমধ্যেই পরিকল্পিতভাবে কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি না থাকলেও দেশটা যাতে এগিয়ে যেতে পারে সে ব্যবস্থার অংশ হিসেবেই শতবর্ষ মেয়াদি ডেল্টা মহাপরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ ও নেয়া হয়েছে।
শেখ হাসিনা দুর্যোগ ব্য্যবস্থাপনাতেও তাঁর সরকারের সাফল্য তুলে ধরে বলেন,বাংলাদেশ একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রবণ দেশ হলেও তাঁর সরকার ইতোমধ্যেই দুর্যোগ মোকাবেলার সক্ষমতা অর্জন করতে সমর্থ হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার আসবে, সরকার যাবে । কিন্তু ভবিষ্যতে যেন উন্নয়নের কাজগুলো আবার থমকে না যায়।’
আগের মেয়াদে আওয়ামী লীগ সরকারের গৃহীত উন্নয়ন প্রকল্পগুলো ২০০১ পরবর্তী বিএনপি-জামায়াত সরকার বন্ধ করে দিয়েছিল উল্লেখ করে তিনি সে সময়কার সরকারের কঠোর সমালোচনা করেন এবং দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা এক ইউনিটও না বাড়িয়ে উল্টো ৪ হাজার ৩শ মে.ও. থেকে ৩ হাজার ২০ মে.ও. এ নামিয়ে আনার তথ্য উপস্থাপন করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন,‘বর্তমানে দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিমান দাঁড়িয়েছে ২২ হাজার মেগাওয়াট. এবং শতকরা ৯৫ ভাগ মানুষ এখন বিদ্যুৎ পাচ্ছে।’

তিনি বলেন,‘গ্রামে বসেই গ্রামের জনগণ যেন শহরের নাগরিক সুবিধা পেতে পারে তা নিশ্চিতেই তাঁর সরকার তৃণমূণ থেকে সকল কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।’ ‘মুজিববর্ষ’ উদযাপনের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী এ সময় তাঁর ক্ষমতায় থাকার জন্য নৌকা মার্কায় ভোট দেয়ায় জনগণের প্রতি পুণরায় কৃতজ্ঞতা জানান।

বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন,‘মুজিববষর্’ হিসেবে ঘোষনা দেয়া হয়েছে এবং ইতোমধ্যেই আমি ঘোষণা দিয়েছি- এ সময়ে আমাদের দেশের কেউ আর গৃহহীন থাকবেনা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন,‘যেখানে যত ভ’মিহীন ঘর-বাড়িহীন মানুষ আছে তাঁদের সবাইকে যতটুকু পারি, একটা টিনের চালা দিয়েও যদি পারি, ঘর-বাড়ি করে দেব।’

পরিকল্পিত নগরায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ‘যত-তত্র, যেখানে-সেখানে দালান-কোঠা করা বা ইন্ডাষ্ট্রি আমরা করতে দিবনা। আমরা সারাদেশে একশ’ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলছি, যেখানে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ হবে। দেশি শিল্পোদোক্তারাও সেখানে জমি পাবেন। কাজেই কেউ ফসলী জমি নষ্ট করতে পারবেন না।’
তিনি বলেন,‘১৬ কোটির ওপরে আমাদের যে মানুষ, তাঁদের সকলের খাদ্যের নিরাপত্তার জন্য ফসলী জমি আমাদেরকে রক্ষা করতে হবে। কেননা, এখন আর এই খাদ্যের জন্য আমাদের হাত পাততে হয়না। আমরা এখন খাদ্য উদ্বৃত্তের দেশ।’

তিনি বলেন, ‘খাদ্য নিরাপত্তার সাথে সাথে আমরা এখন জনগণের পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতের উদ্যোগ নিয়েছি। স্কুলগুলোতে স্ব-উদোগে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির বাস্তবায়ন চলছে এবং পুষ্টি সচেতনতাও আমরা সৃষ্টি করছি।’
প্রধানমন্ত্রী এ সময় বস্তিতে বসবাসকারী ছিন্নমূল ঢাকাবাসীর জন্য তাঁর সরকারের আবাসন পরিকল্পনা তুলে ধরে বলেন, ‘ঢাকা শহরে আমরা ইতোমধ্যেই প্রকল্প হাতে নিয়েছি । বস্তিবাসীদের জন্য ফ্ল্যাট নির্মাণ করে দেব।’

সরকার প্রধান বলেন, স্বল্পমূল্যের দৈনিক, সাপ্তাহিক এবং মাসিক ভিত্তিক ভাড়ায় যেন তাঁরা থাকতে পারে তেমন ব্যাংকিং ব্যবস্থাও তাঁর সরকার করে দেবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন,‘ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণ করে আমরা একেবারে গ্রাম পর্যন্ত নিয়ে যেতে চাই এবং স্থানীয় সরকারগুলোকে আরো শক্তিশালী করতে চাই। যেন নিজের এলাকার প্রয়োজন অনুযায়ী তাঁরা প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে পারে।’
শেখ হাসিনা শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আগত মেয়র এবং কাউন্সিলরদের নির্বাচিত হয়ে আসায় অভিনন্দন জানান এবং দলের নেতা-কর্মী সহ সকলকে আগামী ১৭ মার্চ জাতিয় প্যারেড গ্রাউন্ডে জাতির পিতার জন্ম শতবার্ষিকী উদযাপনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগদানের ও আমন্ত্রণ জানান।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *