ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার নেপথ্য কারিগর সজীব ওয়াজেদ জয় : ওবায়দুল কাদের

ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার নেপথ্য কারিগর সজীব ওয়াজেদ জয় : ওবায়দুল কাদের

বঙ্গবন্ধু আমাদের স্বাধীনতার রোল মডেল। তাঁর সুযোগ্য কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা আমাদের অর্থনৈতিক মুক্তির রোল মডেল। বঙ্গবন্ধু ও তাঁর কন্যার স্বপ্ন বাস্তবায়নে এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার নেপথ্য কারিগর হিসেবে কাজ করছেন বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র, পরিশ্রমী, মেধাবী ও পরিচ্ছন্ন জীবন-জীবিকার অধিকারী কম্পিউটার প্রকৌশলী সজীব ওয়াজেদ জয়।

সাম্প্রতিককালে দেশের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিখাতে অর্জিত হয়েছে অসামান্য সাফল্য, বেড়েছে সক্ষমতা। করোনার এসময়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করে নির্বিঘ্নে ব্যবসা-বাণিজ্যসহ সামাজিক যোগাযোগ অব্যাহত রাখা তারই প্রমাণ।

আজ রোববার সকালে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এমপি তাঁর বাসভবনে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫০তম জন্মদিন উপলক্ষে জয়ীতা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত ‘সজীব ওয়জেদ জয় : সমৃদ্ধ আগামীর প্রতিচ্ছবি’ শীর্ষক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচনশেষে একথা বলেন।

এসময় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও গ্রন্থের প্রকাশক জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি উপস্থিত ছিলেন। আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব এবং গ্রন্থের সম্পাদক আশরাফুল আলম খোকন ও গ্রন্থের পরিকল্পনাকারী জয়ীতা প্রকাশনীর ইয়াসিন কবির জয়।

জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশের নেপথ্য নায়ক এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিখাতে নি:শব্দে ঘটে যাওয়া বিপ্লবের স্থপতি সজীব ওয়াজেদ জয়।

মন্ত্রী বলেন, দেশের লাখ লাখ তরুণ এখন ঘরে বসে আয় করছে। প্রতিযোগিতা করছে গোটা বিশ্বের সাথে। লাখ লাখ তরুণের মাঝে এ স্বপ্ন বুনে দিয়েছেন সজীব ওয়াজেদ জয়। মেধাবী তারুণ্যের হাত ধরেই বাংলাদেশ সমৃদ্ধির সোনালী সোপানে পৌঁছবে বলে তিনি এসময় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এদেশের রাজনীতিতে সততা আর দেশপ্রেমের অনন্য নজির বঙ্গবন্ধুর পরিবার উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, দেশের প্রতিটি অর্জনে রয়েছে বঙ্গবন্ধু পরিবারের বলিষ্ঠ অবদান। তিনি বলেন, ’৭৫ পরবর্তী দেশে সবচেয়ে সফল রাষ্ট্রনায়ক ও রাজনীতিবিদ শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, বৈশ্বিক মহামারী করোনা দেশের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমে ক্ষণিকের ছন্দপতন ঘটালেও দেশরত্ন শেখ হাসিনার সুদক্ষ নেতৃত্বে এবং সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সকল দূর্যোগ মোকাবিলা করে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে সমৃদ্ধির লক্ষ্যে।

বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫০তম জন্মদিন উপলক্ষে জয়ীতা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত ‘সজীব ওয়াজেদ জয়: সমৃদ্ধ আগামীর প্রতিচ্ছবি’ স্মারক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচনের পর মোবাইলে বইটির অনলাইন সংস্করণও (https://agamirproticchobi.net/) উদ্বোধন করেন সেতুমন্ত্রী।

তরুণসমাজের আগ্রহের কারণে বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫০তম জন্মদিনে জয়ীতা প্রকাশনী থেকে বর্ধিত কলেবরে প্রকাশিত হলো ‘সজীব ওয়াজেদ জয়: সমৃদ্ধ আগামীর প্রতিচ্ছবি’ বইটির তৃতীয় সংস্করণ। বইটি জয়ীতা প্রকাশনী থেকে প্রথম মুদ্রিত হয়েছিল ২০১৫ সালে। দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশ হয় ২০১৬ সালে। ২০০ পৃষ্ঠার বইটিতে ছিল ১৬টি নিবন্ধ। তৃতীয় সংস্করণে যুক্ত হয়েছে আরো ১০০ পৃষ্ঠা। এতে ২০১৫ থেকে ২০২০ সময়কালে সজীব ওয়াজেদ জয়ের কর্মোদ্যোগ যুক্ত হয়েছে, যার ফলে মোট নিবন্ধের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৭তে। তৃতীয় সংস্করণে নতুন শতাধিকসহ মোট তিন শতাধিক ছবি রয়েছে। এছাড়াও সজীব ওয়াজেদ জয়ের শৈশবের বেশ কয়েকটি আলোকচিত্র বইয়ে সন্নিবেশিত হয়েছে, যা দুর্লভও বটে।

জয়ীতা প্রকাশনীর ‘সজীব ওয়াজেদ জয়: সমৃদ্ধ আগামীর প্রতিচ্ছবি’ বইটির মুখবন্ধ লিখেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আ আ মস আরেফিন সিদ্দিক। প্রচ্ছদ ও অঙ্গপরিকল্পনা করেছেন শাহরিয়ার খান বর্ণ। উন্নতমানের ছাপায় সুবিশাল গ্রন্থটির দাম রাখা হয়েছে ১২০০ টাকা। পাওয়া যাবে ২০-২১ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউস্থ জয়ীতা প্রকাশনীর কার্যালয়ে।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *