অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা তাৎপর্যপূর্ণ : স্পিকার

অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা তাৎপর্যপূর্ণ : স্পিকার

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, বর্তমান অবস্থান থেকে পাঁচ বছর পর ভবিষ্যতের অবস্থান নির্ধারণ করাই অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর প্রাক্কালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য প্রণীত প্রেক্ষিত পরিকল্পনার প্রথম ধাপ অষ্টম পঞ্চবার্ষিক (২০২১-২০২৫) পরিকল্পনা।

বুধবার (৮ ডিসেম্বর) স্পিকার সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের আয়োজনে ‘অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা দলিলের চূড়ান্ত খসড়ার ওপর পরামর্শ সভা’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন।

স্পিকার বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সময়ে ১৯৭৩ সালে প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছিল, যার ধারাবাহিকতায় পরবর্তীতে অন্যান্য পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ও প্রেক্ষিত পরিকল্পনার গুরুত্ব অত্যন্ত গভীরভাবে অনুধাবন করেন বলেই ধারাবাহিকভাবে পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাগুলো প্রণয়ন করা হচ্ছে। জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী মুজিববর্ষ ২০২০-এ গৃহীত অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বৈষম্য নিরসন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, পরিবেশগত উন্নয়ন, মানবসম্পদ উন্নয়নের মতো সাধারণ বিষয়গুলো পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার প্রাণশক্তি। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে সফলতা ও অর্জনগুলো জাতিকে ‘প্রমোটিং প্রসপারিটি’ তথা সমৃদ্ধির পথে নিয়ে যাচ্ছে।

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট মো. ফজলে রাব্বী মিয়া এমপি ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে আমির হসেন আমু এমপি, তোফায়েল আহমেদ এমপি, মতিয়া চৌধুরী এমপি, আবুল কালাম আজাদ এমপি, শাহজাহান খান এমপি, সাবের হোসেন চৌধুরী এমপি, মেহের আফরোজ এমপি, আবিদা আঞ্জুম মিতা এমপি, রাশেদ খান মেনন এমপি, সিমিন হোসেন রিমি এমপি, মকবুল হোসেন এমপি, এ বি তাজুল ইসলাম এমপি ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *